Sunday, 10 September 2017

টেস্ট সিরিজ থেকে সাময়িক বিশ্রামে সাকিব।

অষ্ট্রেলিয়ার সাথে টেস্ট খেলা শেষে কম সময়ই পাচ্ছেন ক্রিকেটাররা বিশ্রাম নেবার। কেননা, সেপ্টেম্বর ২৮ তারিখ থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার পুর্ণাঙ্গএকটি সিরিজ যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি টেস্ট, ৩টি আন্তর্জাতিক ওয়ানডে এবং দুটি টি-টোয়েন্টি খেলতে  সফরে যাবে বাংলাদেশ। আর এই আসন্ন সফরে টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ পাচ্ছে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্ব সংস্করণে নাম্বার ওয়ান অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান কে।

সূত্রমতে জানা গিয়েছে যে, অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলবার পরই বোর্ড সভাপতিকে টেস্ট ক্রিকেট থেকে কিছু সময়ের জন্য বিশ্রামের জন্য সময় চান দেশের সেরা এই অলরাউন্ডার। এ নিয়ে অনেক অনানুষ্ঠানিক আলোচনার পরে সাকিবকে আসন্ন দুটি টেস্ট ম্যাচের জন্য বিশ্রাম দেয়া হলো, যেখানে সাকিব চেয়েছিলেন ছয় মাসের জন্য। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে সিরিজ খেলা শেষেই আগামী ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেই ফিরতে হবে তাঁকে। 

সাকিব টেস্ট ক্রিকেট থেকে ছুটির জন্য আবেদন করেছিলেন ছয় মাসের জন্য। বর্তমান সূচি অনুযায়ী এই ছয় মাসে চারটি টেস্ট ম্যাচ খেলবার কথা বাংলাদেশের। কিন্তু, সাকিবকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের মাধ্যমে পুনরায় মাঠে দেখা যাবে বলে জানা গিয়েছে।

এবারের, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজটি হবে বাংলাদেশের জন্য পরীক্ষা। দেশের সেরা অল-রাউন্ডার ছাড়া ভিন্ন দেশের মাঠে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের পারফর্মেন্স কিরকম হবে তা দেখতে টেলিভিশন, মোবাইল স্ক্রিন এবং রেডিওতে কান পেতে থাকবে দেশের লাখো ক্রিকেটপ্রেমী। 

Saturday, 17 September 2016

Making wall posters into a digital one | To-Let

Half an year ago, I was told by my parents to print some posters of one of our flan which will be available for rent in that upcoming month. I did and then go to the streets to hung that up. I've seen many other posters as well in the wall labeled as "SUBLET" or "TO-LET". 
The thing is, the wall became dirty for those posters but as I've nothing to do on that moment, I also posted some on those posters after being failure to find some black spaces to post my ones. But one thing came up in my mind that what will happen to those posters on which I've posted my ones? Will they be remain vacant?? What could be my temper when I will see someone hanging another advertisement for their to-let on my one in the next day?
It seems like a cold war to me. Almost like fighting for a small place to get your vacant house rented and so that you can have money. Yes, these posters are useful but how about making walls dirty? It's not your wall right? Just for these reason, nowadays in many places it is to be seen that, "deyaler poster lagaben na." And if we think about the environment, these posters need pages. And to make paper we have to gather raw materials such as: wood fiber, recycled papers, clothes etc. Yes, you got my point. Wood fiber. Meaning that, we need to cut down trees to make these pages. That's really a misuse of the most precious livable thing of our nature.
It's a digital world. Why don't we transfer this method into a digital version? What about a website where all the posters will be posted so not a single one will be missed out.
And that's the thought which brought barikhujun.com. A full optimized website which will work instead of the To-Let, instead of those printed wall posters. A digital Bangladesh. 

Friday, 27 May 2016

Blind Love || অন্ধ ভালোবাসা।

প্রিয়জনের পছন্দের রঙের শার্টটি পড়ে বেরোতে পারি না।
এ নিয়ে আমার তিলমাত্র দুঃখটি নেই।
.
#
মেয়েটির সাথে আমার পরিচয় প্রায় ছ'বছর আগে।
ছ'বছর আগে তার বাবা একজন সরকারী চাকুরে ছিলেন, ভদ্রলোক আমার বাবাকে স্যার বলে ডাকতেন।
দাওয়াতে আমি সচরাচর যেতে চাই না, "সপরিবারে দাওয়াত" ব্যাপারটা আমি পুরোপুরি এড়িয়ে চলি।
সেই ভদ্রলোক একবার আমাদের বাসায় এলেন কার্ড হাতে.... মেয়ের বিয়ের কার্ড।
যাবার আগেও তিনি আরেকবার মিনতি করে গেলেন আমার মায়ের কাছে। কাছে পেয়ে আমাকেও একপ্রকার জোর করেই বললেন, "তুমি না এলে কিন্তু আমি মেয়ের বিয়েই দিবো না! "
.
মেয়েটিকে আমি প্রথম দেখি তার বড়বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের বাইরে এক কোণের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আমি মেয়েটার গান শুনছিলাম।
"মুক্তোমালার ছাতি মাথায় বর্ষা এল রে,
সারা গাঁয়ে গোলাপ পানি ছিটিয়ে দিল রে" —এইরকম একটি গান। তার গানের গলা ভালো।
সেদিন বৃষ্টির তেজ বেশি ছিলো না, তবে আমি চুবাচুবা হয়ে ভিজে গেলাম।
.
যে মেয়েটিকে আমি ভালোবাসি তার দৃষ্টিশক্তি নেই।
চোখে দেখতে পায় না মেয়েটা।
তার চোখও বিশেষ মোহনীয় নয়। ছেলেবেলায় কিছু একটা রোগে সম্ভবত মেয়েটার চোখের জ্যোতি হারিয়ে যায়। আমি কিছু একটা রোগের খোঁজ করার চেষ্টা করিনি।
মেয়েটার প্রতি বিতৃষ্ণা আসার বদলে আমি আগের চেয়েও জোরালোভাবে আকর্ষিত হতে থাকলাম। অনেকেই ভাবতেন তখন, আর আজও ভাবেন আমি দয়াবশে আকর্ষিত হয়েছিলাম।
ব্যাপারটা মিথ্যে।
তার বেণী করা আমার বেশ পছন্দ হয়েছিল... আমি প্রেমে পড়েছিলাম মেয়েটার টোল না পড়া হাসির। আর গানের।
মেয়েটা অসাধারণ গাইতে পারতো, এখনও পারে।
.
মেয়েটা কখনো বাইরে বেরোতো না বলে ওর দেখা পাওয়া হতো কম। রোজরোজ তো তার বাসায় যেতে পারি না আমি!
তবুও, কখনো কখনো সত্যিই চলে যেতাম। এমনি যেতে যেতে একদিন হুট করে গান শুনতে চাইলাম।
মেয়ে লাজুক হলেও বড্ড মিশুক, হয়তো কখনো কোন বন্ধু ছিলোনা বলেই এমন!
আমি কাপের পর কাপ চা শেষ করে দিতাম, ওর মায়ের দেয়া পিরিচের পর পিরিচ চানাচুর খেয়ে নিতাম....
মেয়েটা অসাধারণ গাইতো। না, ভালোবাসি বলে বাড়িয়ে বলছি না একটুও।
তারপর একদিন মেয়েটাকে অনেক বোঝানোর পরেও বোঝাতে পারিনি যে, আমি সত্যিই দয়া দেখাচ্ছি না। অতবড় মাপের মহাপুরুষ হবার সাধ্য আমার নেই। আমি কেবল, মায়ায় জড়িয়ে গিয়েছি।
মায়ায় জড়িয়েছি মেয়েটার ভ্রুর উপর দেয়া লাল টিপের।
মায়ায় জড়িয়েছি বামদিক করে সামনে নিয়ে আসা বেণীর।
মায়ায় জড়িয়েছি ওর মায়ের বানানো চানাচুরের। বোম্বে সুইটসের চানাচুর ছিল, ওর মা পেয়াজ টমেটো সরিষা তেল দিয়ে মাখিয়ে দিতেন।মারাত্মক রকমের বেহেশতি খাবার ওসব!
.
আমি যে মেয়েটাকে ভালোবাসি, গোলাপ তার খুব প্রিয়। তবে সে গোলাপের রং জানেনা। আমি মেয়েটাকে লাল রং বোঝানোর চেষ্টা করি, সে বোঝে না।
— ' আচ্ছা লাল কেমন? '
- ' এইই, রক্তের মত! '
— ' রক্ত কেমন?? '
- ' লাল! '
— ' লাল কেমন? '
- ' রুহ আফজার মত! '
মেয়েটা খিলখিল করে হাসে। ও জানে, আমাকে দিয়ে এসব হবে না।
.
বন্ধুসমাজে আমাকে নিয়ে টিপ্পনীর মাত্রাটা যেদিন খুব বেড়ে গেলো, আমি আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটির মুখে গ্লাসভর্তি কোক ছুঁড়ে হোটেল ছেড়ে বেড়িয়ে এলাম।
আমি সবকিছু মেনে নিতে পারি, সবকিছু "জাস্ট ফান" বলে উড়িয়ে দিতে পারি। আমি সত্যিই রসিকতা বেশ পছন্দ করি যদিনা তা মেয়েটি সম্পর্কিত হতো।
একটা সময় দেখা গেলো আমার বন্ধুবিশেষ অবশিষ্ট নেই। "চান্সে খাইয়া ছাইড়া দে " এবং "কানার জামাই" ততদিনে বাড়াবাড়ি রকমের জনপ্রিয়তা পেয়েছে ক্যাম্পাসজুড়ে।
আমি হতাশ হয়ে পড়লাম।যদিও, মেয়েটিকে কিছু বলিনি।
একদিন সে নিজ থেকেই জানতে চায়,
- 'তোমার বন্ধুরা আমাকে নিয়ে তোমাকে ক্ষেপায় অনেক, তাই না? '
— ' কই নাতো'
- ' আমি চোখে দেখতে পাইনা সত্যি, তবে জানো, আমি মন পড়তে পারি। আমি তোমার মন পড়তে পারি। '
— '.......... '
- ' আমার কারণে বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক খারাপ করোনা, কেমন? '
— ' কিন্তু..! '
- ' সত্যিই তো আমি অন্ধ। আমার দৃষ্টি নেই। কেউ কটু কথা বললে সে নিশ্চই মিথ্যাবাদী নয়। দোষটা বরং আমার। নিজ দোষেই আমি চোখে দেখতে পাই না।'
— 'চুপ করো! '
- ' বন্ধুর অভাব আমি বুঝি। তুমি চাইলেই আমায় ছেড়ে যেতে পারো। '
আমি ভাবলাম মেয়েটা বুঝি এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়বে।
হলো না।
আমি উল্টো ভ্যা ভ্যা করে কাঁদতে আরম্ভ করলাম। মেয়েটা আমার চোখ মুছে দিতে গিয়ে নাক চোখ মুখ সবকিছু একসাথে ঘষতে শুরু করে। এত মায়া দেখে আমি দ্বিগুণ জোরে কাঁদতে থাকলাম।
.
আমি যে মেয়েটাকে ভালোবাসি তার সাথে আমার রাতজেগে চ্যাট হতোনা। রাতজেগে ফোনে কথা হতোনা। আমি শুনেছিলাম মেয়েটার স্কুলে যাওয়া হয়নি বেশিদিন।
বাবার অার্থিক অবস্থা মেয়েটিকে স্পেশাল স্কুলে যাবার সুযোগ দেয়নি।
এক দুপুরে আমি ওকে নিয়ে অরণীর কাছে গেলাম।
অরণী আমার বন্ধু।
কলেজ লেভেল থেকে।
অসম্ভব সুন্দরী মেয়েটার পিছনে পুরো ইন্টারমিডিয়েট লাইফটা ঘুরেছি, পাত্তা পাইনি।
এখন স্বামীর লেক্সাসে চড়ে আগোরায় চাল ডাল কিনতে যায়।
অরণী কিছু একটা অর্গানাইজেশনের সদস্য, মেয়েটার ব্যাপারে শোনার পর আমায় বলেছিলো দেখা করতে।তাই নিয়ে এসে দুচারটে ফর্ম ফিলআপ করে দিলাম।
.
এক রাতে আননোন নাম্বারের কল সিরিভ করে আমি অজ্ঞান হয়ে যাবার মত করে অবাক হলাম। ফোনের ওপাশে মেয়েটা ছিল!
জানালো, কিপ্যাড চেপে চেপে আমার নাম্বার ডায়াল করেছে। অরণীর কাছ থেকে শিখে এসে মায়ের ফোন থেকে কল করেছে।
আমি সত্যিই এতোটা খুশি কখনোই হইনি... না মানে, পরে হয়েছিলাম। বলছি সেই কথা।
.
এমন না যে, মেয়ের মা বুঝতে পারেননি। তবুও, ঘটা করে, অনেকদিনের সাধনার শেষে বলে ফেললাম,
' খালা আমি সারাজীবন আপনার হাতের চানাচুর খাইতে চাই। আমি আপনার ছোট মেয়েকে বিবাহ করিতে চাই'।
আমি প্যান্ট গুটিয়ে রেখেছিলাম খিচ্চা দৌড় দেবার জন্য। মহিলার কান্না দেখে ইমোশনাল হয়ে আর দৌড় দিতে পারিনি।
আমি এবার আরো বড় ঝামেলায় পড়লাম। পুরো পরিবারকেই বোঝাতে গিয়ে বোঝাতে পারছিলাম না যে, আমি কোন প্রকারের মহাপুরুষ নই।
আমার পিতৃদেবকে বোঝানো অগ্নিপরীক্ষা ছিল। তাঁকে আমি ক্রোসোসোম এক্স ওয়াই দিয়ে গ্রাফ এঁকে বোঝাতে চেয়েছিলাম যদিও, যে মা অন্ধ হলে যে বাচ্চা অন্ধ হবে, তা পুরোপুরি বাজে কথা।
তাও পিতৃদেব, তার অনাগত নাতি নাতনীদের দৃষ্টিশক্তির কথা ভেবে বিচলিত হচ্ছিলেন।
আমার মায়ের কথাবার্তা আরো ভয়ানক ছিলো।
' বাপ, এই মেয়ে বিয়ে করলে যদি তুই অন্ধ হয়ে যাস? আমার একটা মাত্র বড়ছেলে! '
.
আমি যে মেয়েটিকে ভালোবাসি, সে আকাশের রং জানেনা। আমি তাকে সাদা রং বোঝানোর চেষ্টা করি।
-' আকাশ কেমন? '
— ' একটু সাদা, একটু নীল'
- 'সাদা কেমন? নীল দেখতে কেমন? '
— ' সাদা হলো বকের কালার। নীল ধরো, আর্জেন্টিনার পতাকার নীলটা আরকি'
তারপর আমরা দুজনে হাসি। আমার হাসি বড্ড বাজে, দাঁতের সাথে মাড়িও বেড়িয়ে যায়।
আমি মেয়েটাকে নিয়ে রাতে আকাশ দেখি। ও কালো রংটা চেনে। আমি চাইনি, রঙের ব্যাপারটা ঝাপসা রেখে ও আকাশ দেখুক। তাই ও যে রং চেনে, আমি সেই আকাশ চেনাবো ওকে।
' আকাশটা সত্যিই এত কালো? আমি যেমন দেখি? '
' নাহ, চাঁন তারা আছে তো!! '
' ওসব কেমন দেখতে? '
আমি ওর হাত আঁকড়ে ধরি। আঙুল ধরে ওর আঙুল দিয়ে মেঝেতে চাঁদ একে বোঝাই। তারা একে বোঝাই।
এরপর ও আমায় গান শোনায়। আমি শুধু প্রার্থনা করে যেতাম, হাজার বছরেও যেন এ রাত শেষ না হয়!
.
আমি যে মেয়েটিকে জীবনসঙ্গী করেছি, সে আমায় কোনদিন দেখেনি। শত পাওয়ার মাঝেও তার একটা বড় না পাওয়া। আমি ওকে বলেছি না দেখতে পেয়ে বড্ড ভালো হয়েছে। দেখতে পারলে কব্বে ছেড়ে চলে যেত!
মেয়েটা রেগে যায়। রেগে গিয়ে চুপ করে কাঁদে।
- 'আমার ভালোবাসা কি এতই মিথ্যে? তোমায় দেখতে পেলে আমি ছেড়ে চলে যেতাম? '
— 'আহা, আমি তো মজা করসি! '
- 'সবসময় তুমি এমন করো'
মেয়ের কন্ঠে অভিমানী সুর। আমি দুহাতে ওর গাল ছুঁয়ে দিই।
— ' জানো, তুমি কানলে তোমার গাল লাল হয়ে যায়। '
-' লাল কেমন? '
— ' এই মনে করো, গোলাপের মতন! '
- 'গোলাপ কেমন? '
— 'রুহ আফজার মত.. তোমাকে রুহ আফজার মত লাগতেসে! '
মান অভিমান কাটিয়ে আমি ওরে আমার চেহারার শেইপ বুঝাই। ও হাতে ছুঁয়ে ছুঁয়ে মনের ভেতর আমার ছবি আঁকে।
আমি ওকে মোবাইলে মেসেজ পাঠাতে পারিনা। বরং, আমার আঙুলকে কালিছাড়া কলম ভেবে ওর হাতের তালুতে বারবার 'ভালোবাসি' লিখি। মেয়েটা লজ্জায় একেবারে গুটিশুটি মেরে যায়।
.
বিয়ের পর ওর প্রথম জন্মদিনে একটা গিফট দেখে আমি বসে পড়লাম, দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি পাইনি আমি।
আমার খুব কাছের কেউ একজন হয়তো, ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। তাই, নাম না লিখেই রঙিন কাগজে মুড়িয়ে একটি ছড়ি উপহার দিয়েছে।
আমি সেই ছড়ি সেই রাতে টুকরো টুকরো করে বারান্দা দিয়ে ফেলে দিয়েছি আর গিফট হারাবার দুঃখে কি না জানিনা, মেয়েটা বেশ কেঁদেছিলো।
বুকে আছড়ে পড়ে কেঁদেছে।
আমি আরও একটি ওয়াদা করে ফেললাম তৎক্ষণাত।
আমি ঘরের একরুম থেকে অন্যরুমে ওকে কোলে করে নিয়ে যেতে শুরু করি। ব্যাপারটায় অবশ্য ওর আপত্তি ছিল না বেশি।
হুহ, থাকলেও মানে কে?!
আমি শপিংয়ে রাস্তায় খাবার দোকানে, আর বিয়ে কিংবা ঘরোয়া পার্টিতেও ওর হাত ধরে হাঁটতাম। আমি আজও জানিনি কে সেই ছড়িটি উপহার দিয়েছিলেন, তবে সেই ব্যক্তি ভেতরে ভেতরে পুড়ে গিয়েছিলেন বহুবার, আমাকে জীবন্ত ছড়ি রূপে দেখে।
.
আমার মা হেসে হেসে তার নাতনীদের সঙ্গে এসব বলেন, ' তোদের বাপ তো হিন্দী ছবির নায়কের থেকে কম না'।
আমার দুটো জমজ কন্যাসন্তান আছে। এদের নিয়ে আমি বাবার সামনে গিয়ে বগলে হাত দিয়ে অদ্ভূত শব্দ করতে করতে নাচতে চাই, সাহসে কুলোয় না বলে করা হয়নি।
মেয়েদুটো মায়ের হাসি পেলেও, মায়ের অক্ষমতা পায়নি।
.
এত সুখ পাবার জন্যে অন্তত আমার সৃষ্টি হয়নি।
মাঝে মাঝে সুখের ঠেলায় মরে যেতে ইচ্ছে হয়। আবার ভাবি, মরে গেলে এই তিন মেয়েকে কে দেখবে!
আমার বাঁচাটা খুব বেশি দরকার। কারো বাঁকা টিপ সোজা করবার জন্যে, কাউকে আবার কাঁধে করে ঘোড়ায় চড়াবার জন্যে!
.
Collected from: https://www.facebook.com/CUCrushesNConfessions/
Writer :Bahauddin Maruf

Blogger:  Md Aminul Islam

Tuesday, 8 March 2016

The Ineluctable Future..!

Welcome to the thoughts and plans of my future. This is the third content of the writing which will end here with my future plans. Well, I hope that you have gone through the previous posts so I am going to make it short. I am Md. Aminul Islam read in North South University in 1st semester of BBA.

NSU
A center of Excellence.


Well, I am having a good time in NSU but as this varsity has an open credit course so I want to move myself quickly from this institution and want to make an end of my educational life. I have a plan to take at least four courses from the next semester and will try my best to obtain good grades in that.
Aminul Islam Hasib

Secondly, after this course, I may have enough leisure time so I want myself to be hired in any telecom company for a part time job. And I want to do an English Speaking Language course from any reputed institution and besides that, I am willing to give a big part of my time in the outsourcing sector and the voluntary organizations.

Well, after completing this undergraduate program I want to do MBA from a reputed university, may be from Australia or USA.


Well, if Almighty grants my wish, after completing my educational life I’ll come back to my country to give a shape of my long cherished dream. You see, every year thousands of students complete their educational life and try to get them involved in any earning sector so that they can hold the backbone of their family. But many of them have to wait for years to get a perfect job or have to take illegal steps to obtain a job. Well, I want to work with them. By this time, I may have a big capital which will come from my outsourcing sector. And by utilizing that money, I will try to make new sectors which will provide them with new jobs. And of course, for the underprivileged children I will have bigger plans.


I believe that education can remove all the darkness of a nation. And this education should be ensured for all of those students. It is education which can and will remove all the major problems of our country. So, with the help of my friends I will try to ensure that. Yes, I know it’s quite impossible for a person but it’s not impossible for a nation. But someone has to take a stand. Someone has to say that it’s time.Someone has to take the first step. So, why not I???

aminulih.blogspot.com
Better Bangladesh...!

I just want to say let’s do it.


Monday, 7 March 2016

8 easy ways to gain speed in stenography?

Stenography is a method used for writing down the words that someone says very quickly by using a special type of writing (also known as "Shorthand")

A stenographer has to be very quick in writing and has to be able to cope up with the speaker for his writing.

I'll show you six ways to gain speed in stenography.

1. At first you have to speed up your handwriting. That's the very first thing you should do.
Because, stenography is nothing but writing as fast as you can, racing with the speakers voice.

So, the faster you write the better you become a stenographer.

2. Then, try to write in "keywords" instead of full lines. This 3-4 keywords will lead you to the full sentences.
You will make it full while you are travelling or stuck in  a jam or just before submitting the paper. But don't forget to take a look at the edited part. Because, editing is the last section of any type of writing.

3. Use symbols in writing keywords. Trust me, this is great to save your time.
Like: "+" instead of plus or "&" instead of "and". Got it??

4. Try to do a course in Shorthand writing system. If you work hard you can reach 190-210 wpm.
Besides, if you can' get your time to do that, non-symbolic is not a bad idea at all. 

5. You can use boustrophedon.
It is an ancient method of writing in which the lines run alternately from right to left and from left to right.

6. Before, going to the field; try to do it in home. A recorded conversation on your favorite topic will surely boost you up.

7. Match your timing. It's important. You should concentrate in your writing and try to save time as much as you can. 


free web counter

free web counter



8. And at last but not the least, "Practice." It is practice which makes a man perfect.
So, don' waste your time. Hurry up.





Friday, 26 February 2016

The wretched UAE

Asia Cup T20 newsAs the time goes by, the third day goes on and another match comes to an end.

The third match of Micromax Asia Cup T20 between Bangladesh and United Arab Emirates was terminated and there is no need to say that the lads of Bangladesh have won the game with 51 runs; which is the 2nd largest victory for them.

Clearly, this is deplorable for United Arab Emirates as they bowled really well in two consecutive matches but ended up with a bad result due to the illogical batting from the top orders of the team.

Bangladesh vs UAE
UAE| Batting statistics against Bangladesh| Match Day 3.

But Bangladesh really came back well after losing 3 wickets in only 2 overs where Shakib was also included. But it was Mahmudullah who gave Bangladesh a score to fight back at the last over by scoring 17 runs.
But the chase spun out of control for UAE as the were loosing wickets at regular interval said "Atahar Ali" the Bangladeshi commentator.


Bangladesh vs UAE
Match summary: Bangladesh vs UAE.


UAE lost their 3 wickets in only 6 overs with the score of 33 on board and was packed up at 82 runs on board in 17.4 overs. A low scoring match comes to and end so did against Srilanka. UAE really bowled well against Bangladesh and Sri Lanka but it was the batsmen who brought down the miseries upon them. They'll try their best to come back from that as the captains said so.

The next day, India will meet Pakistan in another one-off contest.

Start time 1930 local (1330 GMT)


Author:
Md Aminul Islam



Thursday, 25 February 2016

The topical time; on the way to elapse…!

Hello there. I think you have gone through my last post.
Well, North South University is a new place with new people. But its also great because many of my friends from the school as well as the colleges have joined here with me.
Well, NSU has the open credit system and I have taken two courses including Eng 102 & Math112. Our teachers are friendly and they helped to get acquainted with our new educational institution. I have three classes in a week and they are going in full swing.
Well, this is the Digital Age and you must know that I have a great interest towards the modern technology and I like to work on my computer which was bought in 2010. And, I was trying to get myself skilled in the outsourcing field and at that time Ii came to know about Basis & Bitm. These two organizations are arranging training for the interested students who are interested to work in this place. And then after a long assessment process I was selected for their SEO program. I was enrolled in the 19th batch and at this moment our class is going on.
Besides, I am learning Web Page Design from.the YouTube tutorial and I must add that I have added myself in many volunteer organizations who are trying to make a change in this third world country.
At present I am registered volunteer of VBD (Volunteer for Bangladesh) and volunteer coordination intern at Blissful Spirits. The first organization works for the underprivileged children and try to held many programs on different special day like World Environment Day or Water Day etc. And the second one works for the special child of our society who are neglected by all. You can easily ask that why I am participating in these organizations which will not pay for us or something else. I am doing this because I want to be a change maker. Everybody thinks that it is government will only be the person to make the changes which is absolutely not. At first you have to change yourself and that can only be done by you. Government can not do that. You have to put aside all the critics and come forward to work for your society. Government will make a place for you and it is you who will have to take that place.
Well, you know what; I like to taste new foods and pass time with my friends. I along with my friends have done BBQ in my rooftop so many times..
md aminul islam
BBQ 2013
And also I want to see the world in  my own eyes. You know what, I have visited almost 80% places of my beautiful country Bangladesh. But I haven’t gone to Sundarban yet.
Besides, I read a lot of books. Every year I along with my friends or family go to the “Ekushe Book Fair” and buy a lot of books. My favorite writer is Iqbal sir and I like the series of “kakababu somogro” a lot. And you know what, this is 22nd February and I am going to the Ekushe Book Fair of 2016 in the next day.
That’s all from me now. I have plans about my future and I am going to post it within some times. I hope you will read that. Till then, keep me in your prayers.